আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কিভাবে আমরা স্টোরেজ ডিভাইজের ফরমেট

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কিভাবে আমরা স্টোরেজ ডিভাইজের ফরমেট পরিবর্তন করতে পারি। এই বিষয়টিকে এতো গুরুত্ত্ব দেবার কারণ অনেক স্টোরেজ ডিভাইজ আছে যেগুলোর ভিন্ন ধরনের ফরমেট থাকে যা আমাদের অনেক ডিভাইসই সমর্থ করে না। আর এজন্যই এই গুরুত্ত্বপূর্ন বিষয়টিকে আজকের আলোচনার বিষয় নির্ধারন করা হয়েছে।

আমরা যারা ডিজিটাল ডিভাইসের সাথে পরিচিত তারা মাত্রই উপলব্ধি করতে পারি যে, একটি বেশী ধারন সম্পন্ন স্টোরেজ ডিভাইস আমাদের কত বেশী প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তার জন্যই আমি ১ টেরাবাইট পেন ড্রাইভ কিনি ইবে থেকে, যেহেতু বাংলাদেশে 32 বা 64 জিবি এর বেশী স্টোরেজ সিসটেম পাওয়া যায়না বলে। পেনড্রাইভ হাতে পেয়ে আমি খুবই খুশিই হয়েছিলাম। কিন্তু সে খুশি আমার বেশী সময় স্থায়ী হলো না। কারন আমি আমার পেন ড্রাইভটিতে আমার পছন্দ মতো ফাইল নিতে পারছিলাম না। কারণ ছিলো অপরিচিত পার্টিশান। মানে আমরা জানি NTFS এবং FAT32 অথবা FAT ফরমেটে এর কথা কিন্তু আমার পেন ড্রাইভটি ছিলো exFAT ফরমেটে। কিন্তু আমরা প্রয়োজন ছিলো NTFS বা FAT32 ফাইল ফরমেটের পার্টিশান। আর আজকে আমি আমার এই সমস্যাটির কিভাবে সমস্যা পেয়েছিলাম সে বিষয়টি বিস্তারিত লিখবো। আর সংগত কারনেই আমাদের আজকের বিষয় কিভাবে আমরা হার্ডডিস্ক বা পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইজের ফরমেট পরিবর্তন করতে পারি।

একাজ করতে হলে প্রথমে আমাদের epm সফ্টওয়্যারটি লাগবে। সফ্টওয়্যারটি আমরা এই লিঙ্কে কিক্ল করে পেতে পারি। সফ্টওয়্যারটি ডাউনলোড করবার পর ইন্সটল করে নেই। এবার সফ্টওয়্যারটি ওপেন করি। সফ্টওয়্যারটি ওপেন করলে নিচের চিত্রের মতো দেখাবে। এবার আমরা লাল বৃত্তের মাঝে লেখা Launch Application এ ক্লিক করি।

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কিভাবে আমরা স্টোরেজ ডিভাইজের ফরমেট পরিবর্তন করতে পারি। এই বিষয়টিকে এতো গুরুত্ত্ব দেবার কারণ অনেক স্টোরেজ ডিভাইজ আছে যেগুলোর ভিন্ন ধরনের ফরমেট থাকে যা আমাদের অনেক ডিভাইসই সমর্থ করে না। আর এজন্যই এই গুরুত্ত্বপূর্ন বিষয়টিকে আজকের আলোচনার বিষয় নির্ধারন করা হয়েছে।

আমরা যারা ডিজিটাল ডিভাইসের সাথে পরিচিত তারা মাত্রই উপলব্ধি করতে পারি যে, একটি বেশী ধারন সম্পন্ন স্টোরেজ ডিভাইস আমাদের কত বেশী প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তার জন্যই আমি ১ টেরাবাইট পেন ড্রাইভ কিনি ইবে থেকে, যেহেতু বাংলাদেশে 32 বা 64 জিবি এর বেশী স্টোরেজ সিসটেম পাওয়া যায়না বলে। পেনড্রাইভ হাতে পেয়ে আমি খুবই খুশিই হয়েছিলাম। কিন্তু সে খুশি আমার বেশী সময় স্থায়ী হলো না। কারন আমি আমার পেন ড্রাইভটিতে আমার পছন্দ মতো ফাইল নিতে পারছিলাম না। কারণ ছিলো অপরিচিত পার্টিশান। মানে আমরা জানি NTFS এবং FAT32 অথবা FAT ফরমেটে এর কথা কিন্তু আমার পেন ড্রাইভটি ছিলো exFAT ফরমেটে। কিন্তু আমরা প্রয়োজন ছিলো NTFS বা FAT32 ফাইল ফরমেটের পার্টিশান। আর আজকে আমি আমার এই সমস্যাটির কিভাবে সমস্যা পেয়েছিলাম সে বিষয়টি বিস্তারিত লিখবো। আর সংগত কারনেই আমাদের আজকের বিষয় কিভাবে আমরা হার্ডডিস্ক বা পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইজের ফরমেট পরিবর্তন করতে পারি।

একাজ করতে হলে প্রথমে আমাদের epm সফ্টওয়্যারটি লাগবে। সফ্টওয়্যারটি আমরা এই লিঙ্কে কিক্ল করে পেতে পারি। সফ্টওয়্যারটি ডাউনলোড করবার পর ইন্সটল করে নেই। এবার সফ্টওয়্যারটি ওপেন করি। সফ্টওয়্যারটি ওপেন করলে নিচের চিত্রের মতো দেখাবে। এবার আমরা লাল বৃত্তের মাঝে লেখা Launch Application এ ক্লিক করি।

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কিভাবে আমরা স্টোরেজ ডিভাইজের ফরমেট পরিবর্তন করতে পারি। এই বিষয়টিকে এতো গুরুত্ত্ব দেবার কারণ অনেক স্টোরেজ ডিভাইজ আছে যেগুলোর ভিন্ন ধরনের ফরমেট থাকে যা আমাদের অনেক ডিভাইসই সমর্থ করে না। আর এজন্যই এই গুরুত্ত্বপূর্ন বিষয়টিকে আজকের আলোচনার বিষয় নির্ধারন করা হয়েছে।

আমরা যারা ডিজিটাল ডিভাইসের সাথে পরিচিত তারা মাত্রই উপলব্ধি করতে পারি যে, একটি বেশী ধারন সম্পন্ন স্টোরেজ ডিভাইস আমাদের কত বেশী প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তার জন্যই আমি ১ টেরাবাইট পেন ড্রাইভ কিনি ইবে থেকে, যেহেতু বাংলাদেশে 32 বা 64 জিবি এর বেশী স্টোরেজ সিসটেম পাওয়া যায়না বলে। পেনড্রাইভ হাতে পেয়ে আমি খুবই খুশিই হয়েছিলাম। কিন্তু সে খুশি আমার বেশী সময় স্থায়ী হলো না। কারন আমি আমার পেন ড্রাইভটিতে আমার পছন্দ মতো ফাইল নিতে পারছিলাম না। কারণ ছিলো অপরিচিত পার্টিশান। মানে আমরা জানি NTFS এবং FAT32 অথবা FAT ফরমেটে এর কথা কিন্তু আমার পেন ড্রাইভটি ছিলো exFAT ফরমেটে। কিন্তু আমরা প্রয়োজন ছিলো NTFS বা FAT32 ফাইল ফরমেটের পার্টিশান। আর আজকে আমি আমার এই সমস্যাটির কিভাবে সমস্যা পেয়েছিলাম সে বিষয়টি বিস্তারিত লিখবো। আর সংগত কারনেই আমাদের আজকের বিষয় কিভাবে আমরা হার্ডডিস্ক বা পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইজের ফরমেট পরিবর্তন করতে পারি।

একাজ করতে হলে প্রথমে আমাদের epm সফ্টওয়্যারটি লাগবে। সফ্টওয়্যারটি আমরা এই লিঙ্কে কিক্ল করে পেতে পারি। সফ্টওয়্যারটি ডাউনলোড করবার পর ইন্সটল করে নেই। এবার সফ্টওয়্যারটি ওপেন করি। সফ্টওয়্যারটি ওপেন করলে নিচের চিত্রের মতো দেখাবে। এবার আমরা লাল বৃত্তের মাঝে লেখা Launch Application এ ক্লিক করি।

joanatailor

About the Author

joanatailor

Leave a Comment: